নরসিংদী কলা যে ভাবে সারা দেশে বাজারজাতকরণ হয়

কলা একটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ফল


তবে সাগর কলা নরসিংদী কয়েকটি
উপজেলাতে চাষ হচ্ছে ব্যাপক
হারে যদি আমি নরসিংদী একটি
বর্তমান রেলস্টেশন এর কথা বলি
নরসিংদী জিনারদী রেলস্টেশন চট্টগ্রাম
গ্রাম থেকে ছেড়ে আসা কর্ণফুলী ট্রেন
ঢাকা যাওয়ার পথে প্রায় সময় জিনারদী রেলস্টেশন থেকে কিন্তুু প্রচুর পরিমাণ
কলা ট্রেনে লোড হয়ে থাকে

যে ভাবে হলো ঘোড়াশালের নামকরণ প্রিয় শহর ঘোড়াশাল অফিশিয়াল পেজ

পূর্বকালে ঘোড়াশাল নামে কোন গ্রাম ছিল না। তখন এ এলাকাটি চরপাড়া, টেকপাড়া, টেংগরপাড়া, বিনাটি, করতেতৈল, রাজব ও চামরাব নামে এক একটা ক্ষুদ্র পল্লী ছিল। প্রায় সাড়ে তিনশত বছর আগের কথা ,

পোষ্ট ফরহাদ কবির

দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে টেকপাড়ায় শেখ গোলাম মোহাম্মদ নামে এক ক্ষমতাধর বিচক্ষন ব্যক্তি বাস করতেন। দিল্লির রাজ দরবারেও তাঁর নাম সুপরিচিত ছিল। ঐ সময় ঈশা খাঁর বংশধর শরিফখান শরিফপুরের জমিদার ছিলেন। শরিফ খান জমিদার হলেও একজন স্বাধীন নরপতি ছিলেন। কর পাওয়া ব্যতিত জমিদারীর

অভ্যন্তরীন ব্যাপারে মোগল সম্রাট হস্তক্ষেপ করার তেমন কোন অধিকার ছিল না। শরিফ খানের প্রজা মোহাম্মদ রফির পুত্র জমিদার শরিফ খানের বিরুদ্ধে দিল্লির রাজ দরবারের এক গুরুতর অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগের বিচারকে কেন্দ্র করে জমিদার শরিফখানের সাথে দিল্লির রাজ দরবারের নরম বিরোধ দেখা দেয়। দিল্লির সম্রাট লিখিত ফরমানে শেখ গোলাম মোহাম্মদ উক্ত বিবাদ নিষ্পত্তি করে দিল্লি সম্রট সাথে শরিফ খানের সন্ধি করিয়ে দেন । শেখ গোলাম মোহাম্মদের এ কার্যতৎপরতা ও বিচক্ষনতায় সসম্রাট আওরঙ্গজেব ও জমিদার শরিফ খান উভয় অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন। এ কাজের পুরষ্কার সুরুপ সম্রাট আওরঙ্গজেব শেখ গোলাম মোহাম্মদকে একটি তেজি ঘোড়া ও অনেক মূল্যমান একটি শাল উপহার দেন । জমিদার শরিফ খান স্বীয় পালিতা কন্যা চাঁদ বিবিকে শেখ গোলাম মোহাম্মদের দ্বিতীয় পুত্র শেখ গোলাম নবীর সহিত বিবাহ দেন এবং বিবাহের উপহার স্বরুপ চরপাড়া , টেকপাড়া, টেংগরপাড়া, বিনাটি, করতেতৈল, রাজব ও চামরাব নামে এক একটা ক্ষুদ্র পল্লীগুলো প্রদান করেন। সম্রাট প্রদত্ত ঘোড়া আর শাল দেখার জন্য দলে দলে লোক শেখ গোলাম মোহাম্মদের বাড়িতে আসত। আগুন্তকগণকে কোথায় যাও প্রশ্ন করা হলে তারা বলতো ঘোড়া আর শাল দেখতে যাই। সেই থেকে শেখ গোলাম মোহাম্মদের বাস গ্রাম ও বিবাহের উপহার স্বরুপ প্রাপ্ত গ্রামগুলোর সমষ্টিই ঘোড়াশাল নামে পরিচিত হতে থাকে

যেনে নিন মাওলা রুমি অমর বাণী প্রিয় শহর ঘোড়াশাল অফিশিয়াল পেজ

মাওলানা রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইতিহাসের পাতায় চিরকাল অমর হয়ে থাকবে
মাওলানা রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইসলামের অন্যতম কবি এবং ইসলামিক অন্যতম লেখক মাওলানা রুমির নাম মাওলানা রুমির নাম শোনেননি এমন লোক খুব কমই আছে তিনি শরীয়ত মারফত এবং হাকিকত নিয়ে হাজার হাজার বই লিখেছেন আর উনার মসনবী শরীফ যারা পড়েছেন তারা জানেন মাওলানা কত বড় জ্ঞানী লেখক ছিলেন রুমি পৃথিবীর কোন আলেমের সাথে রুমির তুলনা হয় না আসলে
মাওলানা রুমির উক্তি মানুষের জীবনকে পরিবর্তন করেছে আর সাধারন লোক যদি মাওলানা রুমির উক্তি পড়ে তাহলে সেও একজন জ্ঞানী হয়ে যায় মাও
মাওলানা রুমি সারা পৃথিবীর কাছে প্রশংসনীয়
যদি রুমি সম্পর্কে জানতে চান তাহলে পড়ুন মসনবী শরীফ আর আমি উনার একজন সাধারন ভক্ত

১)তোমার রিদয়ে আগে মধুরতা খোজ করো, তাহলে সব রিদয়েই তুমি মধুরতা খুজে পাবে।

মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি (রহ)

২/যেখানে দু:খ আছে সেখানেই দু:খ হতে মুক্তির উপায় আছে।

মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি (র)।

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান নরসিংদী জেলার গর্ব প্রিয় শহর ঘোড়াশাল অফিশিয়াল পেজ

ইতিহাস এর। পাতায় ফ্ল্যাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান মতিউর রহমান ১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার১০৯!আগা সাদেক রোডের মোবারক লজ”-এ জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার রামনগর গ্রামে। যা এখন মতিনগর নামে পরিচিত। নয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ৬ষ্ঠ। তার বাবা মৌলভী আবদুস সামাদ/মা সৈয়দা মোবারকুন্নেসা 

শাহাদতের ৩৫ বছর পর ২৪শে জুন ২০০৬ মতিউরের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধজীবী কবর স্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

পাকিস্তান সরকার মতিউর রহমানের মৃতদেহ করাচির মাসরুর ঘাটির চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে সমাহিত করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ার পর, ২০০৬ সালের ২৪ জুন মতিউর রহমানের দেহাবশেষ পাকিস্তান হতে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।তাকে পূর্ণ মর্যাদায় ২৫শে জুন শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ – ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশীএকজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীরশ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাদের অন্যতম

ঘোড়াশাল বাইপাসের ডাবের সমাহার প্রিয় শহর ঘোড়াশাল অফিশিয়াল পেজ

ঘোড়াশালে বাইপাসের ডাবের সমাহার কাস্টমার এর চাহিদা অনুযায়ী এখানে পাওয়া যাচ্ছে ভিন্ন ধামের ডাব ঢাকা সিলেট হাইওয়ে রাস্তার পাশে এমন ডাবের দোকান খুব কমই দেখা যায় যেমন রয়েছে ডাব তেমনি রয়েছে চাহিদা কেউ কেউ এক টা দুইটা কেউ দশটা এখান থেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছে ডাব এতে বিক্রি ক্রেতা খুব খুশি

যেনে নিন খেজুরের ১৫ উপকারিতা প্রিয় শহর ঘোড়াশাল অফিশিয়াল পেজ

উপকারিত-
১. খেজুরে খাদ্য শক্তি থাকায় শারীরিক দূর্বলতা দূর হয়।
২. স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
৩. পেটের ক্যান্‌সার প্রতিরোধ করে।
৪. খেজুরে অনেক গ্লুকোজ থাকায় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ হয়।
৭. রক্ত উৎপাদনকারী।
৮. হজম শক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক।
৯. রুচি বাড়ায়।
১০. ত্বক ভালো রাখে।
১১. আঁশ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্যকারী।
১২. পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী।
১৩. ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে।
১৪. গলা ব্যথা, সর্দি ও যেকোন জ্বরে খেজুর খুবই উপকারী।
১৫. খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর করে।

যে ভাবে হলো নরসিংদী জেলার নামকরণ

★★ নরসিংদী জেলা

কথিত আছে, প্রাচীনকালে এ অঞ্চলটি নরসিংহ নামক একজন রাজার শাসনাধীন ছিল। আনুমানিক পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে রাজা নরসিংহ প্রাচীন ব্যক্ষ্মপুত্র নদের পশ্চিম তীরে নরসিংহপুর নামে একটি ছোট নগর স্থাপন করেছিলেনঅ তাঁরই নামানুসারে নরসিংদী নামটি আবির্ভূত হয়। নরসিংহ নামের সাথে ‘দী’ যুক্ত হয়ে নরসিংদী হয়েছে। নরসিংহদী শব্দের পরিবর্তিত রূপই“নরসিংদী”


★★★ বিখ্যাত খাবার

সাগর কলা


★★★ বিখ্যাত স্থান

1. ড্রিমল্যান্ড হলিডে পার্ক 

2. উয়ারী – বটেশ্বর 

3. শাহ ইরানি মাজারঃ বেলাব উপজেলার পাটুলি ইউনিয়নে অবস্হিত

4. ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের বাস্তুভিটাঃ পাঁচদোনা বাজার সংলগ্ল বুড়ারহাট গ্রামে

5. নরসিংদীতে ঐতিহ্যবাহী তিন গম্বুজ মসজিদ

6. সোনাইমুড়ি টেকঃ ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের পাশে জেলার শিবপুর উপজেলায় অবস্হিত

7. রাজা নরসিংহের নরসিংদী

8. বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্মৃতি জাদুঘর

 
★★★ বিখ্যাত বস্ত্র

লুঙ্গি

Design a site like this with WordPress.com
Get started